Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

১৯৯০ সালের মার্চে থাইল্যান্ডের জমতিয়েনে অনুষ্ঠিত ২০০০ সালের মধ্যে "সবার জন্য শিক্ষা’’ শীর্ষক বিশ্ব সম্মেলনের পাশাপাশি একই বছরের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত "শিশু অধিকার’’ শীর্ষক বিশ্ব সম্নেলনের, ১৯৯৩ সালে দিল্লীতে "সবার জন্য শিক্ষা’’ (Education for All) শীর্ষক সম্মেলনে অনুষ্ঠিত নয়টি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ যোগদান করে এবং সম্মেলনের ঘোষতায় নিরক্ষরতা দূরীকরণ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ সবের অনুপ্রেরণা ও অঙ্গীকার থেকে "সবার জন্য শিক্ষা’’ আন্দোলন বেগবান করার ক্ষেত্রে বিভিন্নপ্রকল্প বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে "উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর’’ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিদপ্তরের আওতায় ইনফেপ প্রকল্প, উপানুণ্ঠানিক শিক্ষা প্রকল্প-১,২,৩ ও ৪ এর মাধ্যমে ১৮৬.২৪ লক্ষ  শিক্ষার্থীকে স্বাক্ষরতা প্রদান করা হয়। ইতোমধ্যে মানব উন্নয়নের জন্য স্বাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-১ এর কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে ৯.৭১ লক্ষ শিক্ষার্থীকে ৯ মাস ব্যাপী স্বাক্ষরতা উত্তর ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

বর্তমান উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতাধীনে শহরের কর্মজীবী শিশুদের জন্য মৌলিক শিক্ষা প্রকল্প (২য় পর্যায়) এবং মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ নামে দুটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। আরো কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে।

ইতোমধ্যে সরকারের পরিবর্তিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ০১লা নভেম্বর ২০০৩ সাল হতে “উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর’’ অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক অধিদপ্তরের পরিবর্তে ১৭ এপ্রিল ২০০৫ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয়। সম্ভাব্য স্বল্প সময়ের মধ্যে সমগ্র দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণ এবং নিরক্ষর জনবলকে জীবন ধর্মী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানব সম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ০২ জানুয়ারি ২০০৬ সালে “উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি’’ অনুমোদন করে এবং ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০০৬ তারিখে উহা সরকারী গেজেটে প্রকাশ করা হয়।  

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে এবং সরকারের নীতির সফল বাস্তবায়নের নিমিত্ত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সেবা জনগণের জন্য আরো অবারিত, সহজলভ্য এবং সুনিশ্চিত করাসহ প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সিটিজেন চার্টার প্রণয়ন করা হয়েছে।  আশা করা  হচ্ছে এর মাধ্যমে ব্যুরোর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যুরো এর সার্ভিস সমূহ দেশের জনগণ এবং বিভিন্ন সরকারি  ও বেসরকারি  সংস্থা সহজে  পাবে যা এ দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সুফল বয়ে আনবে।
মহাপরিচালক
     উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সেবা দুইভাবে প্রদান করা হয়ঃ
ক) জনসাধারণের সাথে সম্পৃক্ত সেবা।
খ) ব্যুরোর অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সেবা।